ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে তালিকায় ফিরলেন কত ভোটার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৪-২৯ ১১:২৫:১০
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে তালিকায় ফিরলেন কত ভোটার পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে তালিকায় ফিরলেন কত ভোটার
নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হয়েছে আজ বুধবার। এই দফায় কলকাতার ভবানীপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভারতীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোট গ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে।

নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের আগের দিন প্রায় দেড় হাজার ভোটার তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত অতিরিক্ত তালিকা অনুযায়ী, আপিলেট ট্রাইবুনালের সিদ্ধান্তে মোট ১ হাজার ৪৬৮ জন ভোটার নতুন করে তালিকাভুক্ত হন, যারা আদালতের নির্দেশ অনুসারে নির্ধারিত দিনে ভোট দিতে পারবেন।

এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সেই সব ভোটারদের, যাদের নাম বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় মূল তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে আপিলের ভিত্তিতে বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে। তবে এখনও ছয়জনের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত ১৯টি আপিলেট ট্রাইবুনালের মাধ্যমে বাদ পড়া ভোটাররা তাদের দাবি জানাতে পারছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এ সংক্রান্ত আবেদন সংখ্যা ৩৪ লাখেরও বেশি।

এর আগে প্রথম দফার ভোটের আগে ১৩৯ জন ভোটার তালিকায় ফিরে এলেও ৮ জন ভোটাধিকার হারিয়েছিলেন। নতুন করে যুক্ত হওয়া ভোটারদের বড় অংশ কলকাতার উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের বাসিন্দা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরাঞ্চলে আপিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বেশি থাকায় এই প্রবণতা দেখা গেছে।

তবে ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার এই প্রক্রিয়ার মাঝেই এক ভিন্ন চিত্র সামনে এসেছে। অন্তত ৬৫ জন সরকারি কর্মচারী, যারা নিজেরাই ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন, তারা বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করছেন। অনেক প্রিসাইডিং অফিসার অভিযোগ করেছেন, বৈধ নথি জমা দেওয়ার পরও তাদের নাম যৌক্তিক অসঙ্গতির অজুহাতে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে তারা একদিকে ভোট পরিচালনা করছেন, অন্যদিকে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না, যা তাদের জন্য মানসিকভাবে কষ্টদায়ক।

এছাড়া, প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম সংশোধন প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে বলে জানা গেছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, আপিল প্রক্রিয়া জটিল এবং ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ভোটাররা বেশি সমস্যায় পড়েছেন।

সব মিলিয়ে, আদালতের হস্তক্ষেপে কিছু ভোটার তাদের অধিকার ফিরে পেলেও বৃহত্তর পরিসরে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অসন্তোষ ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : nafizhasan889900@gmail.com

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ